সিলেটের গোলাপগঞ্জে ধর্ম প্রচার ও পূজা আয়োজনের কারণে মৌলবাদীদের হামলার শিকার হয়েছেন কার্তিক বিশ্বাস। তিনি হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ গোলাপগঞ্জ উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক, কালাচাঁদ মন্দিরের সহ-সভাপতি এবং হিন্দু মহাজোট জেলা শাখার সহ-দপ্তর সম্পাদক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কার্তিক বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে ধর্ম প্রচার করে আসছিলেন। তবে মৌলবাদীরা বিভিন্ন সময় তার কার্যক্রমে বাধা দেয় এবং পূজা আয়োজনেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। এই বাধা উপেক্ষা করে ধর্মীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ২০২২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালায়।
এর আগে একই গোষ্ঠী স্থানীয় মন্দিরেও হামলা চালিয়েছিল। সেই ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধনসহ থানায় অভিযোগ করা হয়। তবে মৌলবাদীদের প্রভাবশালী অবস্থানের কারণে প্রথমে পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে সংগঠনের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপে মামলা নেওয়া হলেও এখনো পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি হয়নি।
এ ঘটনার পর থেকে মৌলবাদীরা কার্তিক বিশ্বাসের প্রতি আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
এ ব্যাপারের গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহিদুল ইসলাম বলেন, মন্দিরে হামলায় ঘটনায় ভুক্তভোগীরা মামলা দায়ের করেছেন। সাম্প্রদায়িক উস্কনারি জন্য কেউ একজন এই কাজ করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।