সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ থানার অন্তর্গত গোলাপগঞ্জ চৌমুহনীতে বিগত ১৮/১২/২০২৩খ্রি. তারিখ বিকাল অনুমান ০৫.০০ ঘটিকায় গণফোরাম কর্তৃক ০৭/০১/২০২৪ খ্রি. তারিখের জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে এক প্রতিবাদ সভার জন্য গনফোরামের সদস্যরা সম্মিলিত ভাবে মিছিল বাহির করার চেষ্টা করে। অপরদিকে সরকার দলীয় লোকজন বিভিন্ন দিক হইতে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে আসিলে উভয় দলের মধ্যে মারামারি সৃষ্টি হইলে গোলাপগঞ্জ চৌমুহনীতে অবস্থান করা পুলিশ দল উপরোক্ত নেতা-কর্মীদের মিছিলে বাঁধা প্রদান করেন। তখন মিছিলকারীরা বিভিন্ন দিকে ছত্রভঙ্গ হইয়া চলিয়া যায়। পরবর্তীতে পুনরায় গণফোরামের সদস্যরা একত্রিত হইয়া রিক্সা, ফোরষ্টোক (সি.এন.জি), বাস, লেগুনা,
প্রাইভেট কার ইত্যাদি ভাঙচুর করিতে আরম্ভ করিলে উপস্থিত পুলিশ ফোর্স তাহাদেরকে বাধা প্রদান করিলে তাহারা উত্তেজিত হইয়া পুলিশ ফোর্সের প্রতি ইট পাটকেল নিক্ষেপ করিতে থাকে এবং সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পুলিশ জানমাল রক্ষার্থে লাঠি চার্জ করিয়া তাহাদেরকে ছত্রভঙ্গ করিয়া দেয়। তাহাদের আক্রমনে পুলিশ কং/২০১ তাজওয়ার, হাবিলদার-৫২১ ছমির উদ্দিন, কং/৩১৪ মোজাম্মেল হোসেন, কং/১৪২ আরিফুল ইসলাম মারাত্মক ও সাধারণ জখম প্রাপ্ত হন। সংবাদ পাইয়া পুলিশের অন্য পার্টি এসে ধাওয়া করিয়া সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করিয়া দেয়। উপরোক্ত সমাবেশের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হইয়া বিশৃংখলা সৃষ্টি করিয়া ইচ্ছাকৃত ভাবে পুলিশের সরকারি কাজে বাধা প্রদান করতঃ পুলিশকে মারধর
করতঃ মারাত্মক ও সাধারণ জখমপ্রাপ্ত করিয়া রাস্তায় চলাচলকারী যানবাহন এর ক্ষতিসাধন করিয়াছে। ক্ষতিসাধিত যান্ত্রিক গাড়ীগুলি ব্যাপক ক্ষতির আশংকায় দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। এ হামলার সত্যতা স্বীকার করে গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামিউল ইসলাম জানান, ডিউটি অফিসার এসআই তৌহিদুল ইসলাম অভিযোগকারী হিসেবে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে গোলাপগঞ্জ থানার মামলা নং ১৫/২০২৩খ্রি., তারিখ-১৯/১২/২০২৩ খ্রি.. যাহার জি. আর মামলা নং-৩৬০/২০২৩ খ্রি. দায়ের হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা দীর্ঘ তদন্ত শেষে বিগত ০১/০৭/২০২৪ খ্রি. তারিখে মাননীয় আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। মাননীয় আদালত চার্জশীট পর্যালোচনা করে বিগত ০৩/০৭/২০২৪ খ্রি. তারিখে উক্ত মামলার অন্যতম আসামী গণফোরাম নেতা রাব্বি জামাল আরিফ সহ অন্যান্য পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যু করিয়াছেন।

