সিলেটের দক্ষিণ সুরমা গোটাটিকর এলাকার প্রসেনজিৎ দাস পায়েল পিতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৫ আগস্ট) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। প্রতক্ষদর্শীরা জানান, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর পূর্ব শত্রুতা ও আওয়ামীলীগের দোসর বলে সিলেট সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ সদস্য ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টাব ঐক্য পরিষদ দক্ষিণ সুরমা থানা শাখার সদস্য প্রসেনজিৎ দাস পায়েলের পিতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়েছে কিছু দুর্বৃত্তরা। সোমবার বিকেলে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে এ হামলা চালায় ৩০-৩৫ জন। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার পর তার বাড়িতে গিয়েও ভাংচুর করে তারা। এসময় স্থানীয়রা বাদা প্রদান করলেও হামলা থামানো সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে জানতে চাইলে প্রদীপ দাস বলেন, শিববাড়ী এলাকায় দীর্ঘদিন থেকে আমরা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছি। আমার ছেলে পায়েল ছাত্রলীগের রাজনীতির পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মিয় সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিল। প্রধানমন্ত্রী পালিয়ে যাওয়ার পর পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হামলা চালানো হয়। এতে আমিসহ আমার স্ত্রী ও আমার মেয়ে গুরুতর আহত হয়েছি। পরে স্থানীয়রা আমাদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করায়। এখানে আমরা চিকিৎসা নিচ্ছি।
তিনি বলেন, আমার ছেলে ছাত্রলীগের সাথে যুক্ত থাকলেও কখনো কা
রো ক্ষতি করেনি বা ছাত্রদের আন্দোলনের বিরুধীতা করেনি। কিত্নু উগ্রবাদী গোষ্টী পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ দক্ষিণ সুরমা থানা শাখার সভাপতি এড. মৃতৃঞ্জন ভুলা বলেন, আমরা হামলার খবর পেয়েছি। আমরা নিন্দা জানাচ্ছি। এইরকম হামলা আমরা প্রত্যাশা করি না।
এ বিষয়ে প্রশাসনের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

