সিলেট মহানগর যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ কয়েছ মিয়ার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গত শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, মোহাম্মদ কয়েছ মিয়া আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে সক্রিয় ছিলেন। তিনি দেশনেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শ লালন করতেন। শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কাজে শহর থেকে গ্রামে সক্রিয় ভূমিকায় ছিলেন। বিশেষ সূত্রে জানা যায়, সিলেট মহানগর যুবলীগের কমিটিতে তিনি খুব বেশি সক্রিয় ছিলেন, এজন্য সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি, তিনি মোহাম্মদ কয়েছ মিয়া কে ব্যক্তিগত সহযোগী হিসাবে সাথে রাখতেন ও বিভিন্ন স্থানে তাকে সফর সঙ্গী হিসাবে নিয়ে যেতেন। গত ০৫ আগস্ট ২০২৪ এ শেখ হাসিনা সরকার তথা আওয়ামীগ সরকারের পতনের পর ০৭/০৯/২০২৪ তারিখে সিলেট মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ কয়েছ মিয়ার বাড়িতে বিএনপি ও জামায়াতের সন্ত্রাসীরা হামলা ও ভাঙচুর করার পর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। ভাঙচুরের সময় সন্ত্রাসীরা তার বাড়ি হতে মূল্যবান আসবাবপত্র, টাকা ও তাদের ব্যবহারের যন্ত্রপাতি লুটপাট করে নিয়ে যায় এবং তার বাড়ির লোকজনদের মারধর করে। এই ঘটনার সংবাদ পেয়ে মোহাম্মদ কয়েছ মিয়ার নানি ভয়ে স্ট্রোক করেন, পরে তাকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করলে ০৮/০৯/২০২৪ তারিখে তিনি মারা যান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, যাওয়ার সময় মোহাম্মদ কয়েছ মিয়াকে পেলে প্রাণে মারবে বলে চলে যায়। এ বিষয়ে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে চাইলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোন সহযোগিতা করেনি।
সিলেট মহানগর যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ কয়েছ মিয়ার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর
শনিবার, সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৪
0
ট্যাগ

